দাদুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ১০ এপ্রিল। ঠিক এক বছর আগে বিকাল পৌনে তিনটার দিকে বাড়ি থেকে খবর পাই আমাদের সবার প্রিয় দাদু আর নেই। দাদুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গরীব-দুস্থ সহ সবাইকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল গত ৫ তারিখ, শুক্রবারে। রাজনৈতিক কর্মসূচির ফাঁদে পড়ে ঢাকায় বসে কো’রান পড়া ছাড়া আর কোন ভাবেই অনুষ্ঠানে শরীক হতে পারিনি।

বিস্তারিত পড়ুন

কালবৈশাখীনামা – ১

বৈশাখে আম কুড়ানোর সৌভাগ্য তেমন বেশি হয়নি, নিজের উপর দোষ চাপিয়ে যদি বলি তবে বলতে হবে সুযোগ নেই নি । কিন্তু কালবৈশাখীর অভিজ্ঞতা তেমন একটা খারাপ না বলতেই হবে – বিশেষ করে খোলা হাওরের মাঝে কালবৈশাখীর কবলে পড়ার কথা যদি ভাবেন । ঘটনাটা খুলেই বলি –

বিস্তারিত পড়ুন

এমন যদি হত ! ভাবনাগুলো পড়তে পারি, জাদুকরের মত !

ধরুন আপনি রাস্তা দিয়ে বা’দিক ঘেষে হেটে যাচ্ছেন, ওপাশ থেকে আরেকজন হেটে আসছে । ফুটপাথটা ছোট তাই আপনাকে যেকোন একটা পাশ নিয়ে হেটে যেতে হবে । অপরপাশের মানুষটা যখন কাছাকাছি চলে এলো তখন আপনি তাকে পথ দেবার জন্য ডানে সরে এলেন। ঠিক সেই সময়টাতেই লোকটা ভেবেছিল বায়ে সরে আপনাকে পথ দেবে ফলে আপনারা মুখোমুখি হয়ে গেলেন । এবার আপনি বায়ে সরলেন, লোকটাও তার হাতের ডানে সরে এলো … আবার মুখোমুখি ! ডানে বায়ে , ডানে বায়ে এরকম তিন-চারবার করে অবশেষে একজন ঠিক করলেন দাড়িয়ে থাকবেন অন্যজন তাকে পাস করে গেলেন – সাথে মুখে একটা হাসি । যখনই এরকম জিনিসগুলো ঘটে তখনই ডানে-বায়ে হওয়ার ব্যাপারটা দুই-তিনবার ঘটেই ! ধরুন এমন যদি হত আপনি কাউকে দেখে পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে জেনে গেলেন তিনি ডানে যাবেন – কোন অনুমান নয় তবে ব্যাপারটা কেমন হত ? আমি জানিনা কী হত তবে একটা হাসি বিনিময়ের মত ঘটনা হয়ত ঘটত না !

বিস্তারিত পড়ুন

একুশের কিংবা বসন্তের কিংবা “কিছু একটার” হাহাকার !

হাহাকার শব্দটা যা বোঝায় সেটা বোধহয় একদম রক্তে মিশে থাকা একটা বিষয় । আমরা ভাবতে পছন্দ করি আমাদের চারপাশে শুধু হাহাকার আর হাহাকার ! পানির জন্য হাহাকার, বিদ্যুতের জন্য হাহাকার কিংবা শেয়ার বাজারের জন্য হাহাকার, জিপি ইন্টারনেটে স্পিডের জন্য হাহাকার, একটা ভাল নেতার জন্য হাহাকার ! আমেরিকানদের শান্তি শান্তি বলে হাহাকার, আফগানিস্থান, ইরাকে মানবতার জন্য হাহাকার ।  আমাদের আদি-পিতা-মাতা যখন স্বর্গে ছিলেন তখন নাকি কিছু একটা নেই, কিছু একটা নেই বলে হাহাকার করতেন । ধর্ম বলে মানুষ যখন স্বর্গে যাবে তখন আল্লাহকে না দেখা পর্যন্ত নাকি হাহাকার কাটবে না ।

বিস্তারিত পড়ুন

একুশে বইমেলা ২০১২ – পর্ব ১ – প্রথম দর্শন

মফস্বল এলাকায় বড় হবার কারণে বই মেলা জিনিসটা আমার কাছে বেশ নতুনই বটে । বছর পাচেক আগে প্রথমবারের মত আমাদের শহরে একটা ছোট্ট বইমেলা হয় । পৌরসভার মাঠে মূলত শহরের লাইব্রেরীগুলোর কয়েকটা স্টল, কিছু খাবারের দোকান, সারা মাঠে বেলুন, ভেপু আর ছোট-খাট খেলনার দোকান – এই তো । কিছু উৎসাহী পোলাপান অবশ্য নিজের কাছে থাকা “জোড়া-তালি দেয়া” কমিক্সের কালেকশনও বিক্রির জন্য উঠিয়েছিল ।  সেই সময়ে টিভিতে যখন একুশে বইমেলার সারি সারি বইয়ের দোকান আর গাদাগাদা বই দেখাত তখন ঢাকাবাসীদের জন্য অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে হিংসা আর নিজের জন্য দীর্ঘশ্বাস ছিল কমন বিষয় । আহ ! সেই একুশে বইমেলা থেকে মিনিট দশেকের হাটা দূরত্বে থাকার মজাই আলাদা ।

বিস্তারিত পড়ুন

নতুন এন্ড্রয়েড ফোন, ল্যাপটপের ওয়াইফাই শেয়ার, রুট অতঃপর বাংলা ফন্ট ইন্সটল

নভেম্বরের শেষ দিকের কথা , ২৫ তারিখ বিকেল বেলা হঠাৎ করে আমার প্রায় আড়াই বছরের সঙ্গি এলজি কেপি ৫০০ কুকি ফোনটার মাথা খারাপ মত হয়ে গেল । কোন কন্টাক্ট সেভ করতে পারেনা , সেভ করা কন্টাক্ট গুলো দেখাতে পারে না – কী অবস্থা ! যদিও অন্যান্য সব ফাংশন ঠিকঠাকই ছিল । অবশ্য এর জন্য হয়ত আমিও কিছুটা দায়ী ছিলাম , এর দুই-তিনদিন আগেই এলজির মূল পার্টিশনে ঘাটাঘাটি করে বাংলা ইন্সটল করার একটা ব্যর্থ করেছিলাম ।

বিস্তারিত পড়ুন

দুই বছর আগের এই দিনেঃ আধখাওয়ার চাদের সাথে কুয়েটের পথে

১. পূর্বকথাঃ

ঠিক দুই বছর আগের কথা, চারদিকে ভার্সিটিগুলোর ভর্তি পরীক্ষা চলছে । দিন পনের আগেই বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ এবং চান্স পাব না ধরে নিয়েও আমি মনের সুখে ঘুরে বেড়াচ্ছি , খাচ্ছি-দাচ্ছি আর বরাবরের মত সাধ মিটিয়ে ঘুমাচ্ছি । কিন্তু সময় তো আর থেমে থাকে না , তাই আমাকে একটা নতুন এডভেঞ্চারের সুযোগ করে দেবার জন্য ৩০ তারিখের আগমন ঘটল । বলে রাখা ভাল ২০০৯ সালে ৩০ অক্টোবর বিকাল তিনটায় ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( Aka SUST ) এর পরীক্ষা এবং ৩১ তারিখ সকাল ১০টায় ছিল কুয়েটের পরীক্ষা । আমি ২৮ তারিখ রাত ১০ টার দিকে সিলেটে চাচার মেসেবাড়িতে চলে আসলাম, আধাঘন্টা DxBall (!) খেলে ঘুম দিলাম ।
বিস্তারিত পড়ুন