এমন যদি হত ! ভাবনাগুলো পড়তে পারি, জাদুকরের মত !

ধরুন আপনি রাস্তা দিয়ে বা’দিক ঘেষে হেটে যাচ্ছেন, ওপাশ থেকে আরেকজন হেটে আসছে । ফুটপাথটা ছোট তাই আপনাকে যেকোন একটা পাশ নিয়ে হেটে যেতে হবে । অপরপাশের মানুষটা যখন কাছাকাছি চলে এলো তখন আপনি তাকে পথ দেবার জন্য ডানে সরে এলেন। ঠিক সেই সময়টাতেই লোকটা ভেবেছিল বায়ে সরে আপনাকে পথ দেবে ফলে আপনারা মুখোমুখি হয়ে গেলেন । এবার আপনি বায়ে সরলেন, লোকটাও তার হাতের ডানে সরে এলো … আবার মুখোমুখি ! ডানে বায়ে , ডানে বায়ে এরকম তিন-চারবার করে অবশেষে একজন ঠিক করলেন দাড়িয়ে থাকবেন অন্যজন তাকে পাস করে গেলেন – সাথে মুখে একটা হাসি । যখনই এরকম জিনিসগুলো ঘটে তখনই ডানে-বায়ে হওয়ার ব্যাপারটা দুই-তিনবার ঘটেই ! ধরুন এমন যদি হত আপনি কাউকে দেখে পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে জেনে গেলেন তিনি ডানে যাবেন – কোন অনুমান নয় তবে ব্যাপারটা কেমন হত ? আমি জানিনা কী হত তবে একটা হাসি বিনিময়ের মত ঘটনা হয়ত ঘটত না !

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

নতুন এন্ড্রয়েড ফোন, ল্যাপটপের ওয়াইফাই শেয়ার, রুট অতঃপর বাংলা ফন্ট ইন্সটল

নভেম্বরের শেষ দিকের কথা , ২৫ তারিখ বিকেল বেলা হঠাৎ করে আমার প্রায় আড়াই বছরের সঙ্গি এলজি কেপি ৫০০ কুকি ফোনটার মাথা খারাপ মত হয়ে গেল । কোন কন্টাক্ট সেভ করতে পারেনা , সেভ করা কন্টাক্ট গুলো দেখাতে পারে না – কী অবস্থা ! যদিও অন্যান্য সব ফাংশন ঠিকঠাকই ছিল । অবশ্য এর জন্য হয়ত আমিও কিছুটা দায়ী ছিলাম , এর দুই-তিনদিন আগেই এলজির মূল পার্টিশনে ঘাটাঘাটি করে বাংলা ইন্সটল করার একটা ব্যর্থ করেছিলাম ।

বিস্তারিত পড়ুন

দুই বছর আগের এই দিনেঃ আধখাওয়ার চাদের সাথে কুয়েটের পথে

১. পূর্বকথাঃ

ঠিক দুই বছর আগের কথা, চারদিকে ভার্সিটিগুলোর ভর্তি পরীক্ষা চলছে । দিন পনের আগেই বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ এবং চান্স পাব না ধরে নিয়েও আমি মনের সুখে ঘুরে বেড়াচ্ছি , খাচ্ছি-দাচ্ছি আর বরাবরের মত সাধ মিটিয়ে ঘুমাচ্ছি । কিন্তু সময় তো আর থেমে থাকে না , তাই আমাকে একটা নতুন এডভেঞ্চারের সুযোগ করে দেবার জন্য ৩০ তারিখের আগমন ঘটল । বলে রাখা ভাল ২০০৯ সালে ৩০ অক্টোবর বিকাল তিনটায় ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( Aka SUST ) এর পরীক্ষা এবং ৩১ তারিখ সকাল ১০টায় ছিল কুয়েটের পরীক্ষা । আমি ২৮ তারিখ রাত ১০ টার দিকে সিলেটে চাচার মেসেবাড়িতে চলে আসলাম, আধাঘন্টা DxBall (!) খেলে ঘুম দিলাম ।
বিস্তারিত পড়ুন

বড় হয়ে কী হতে চাও – এই প্রশ্নের উত্তর কবে বদলাবে সে অপেক্ষায় আছি

ছোটবেলা থেকেই আমার ইলেক্ট্রিক যন্ত্রপাতির প্রতি একটা আলাদা টান ছিল , বাসায় টিভি, রেডিও এবং বিশেষ করে আব্বার ক্যালকুলেটরের উপর যে কী পরিমান অত্যাচার করেছি সেটার স্মৃতি আম্মা মাঝে মাঝেই রূমন্হন করেন । একটা সময়ে পাম্প টাইপ মেশিন গুলোর প্রতিও ব্যাপক আগ্রহ ছিল । আব্বার চাকুরীসুত্রে ছেলেবেলা সরকারী কোয়ার্টারেই কেটেছে , এমনও হয়েছে পড়াশোনা , স্কুল বাদ দিয়ে কোয়ার্টারের পানির পাম্পের কাছে গিয়ে বসে থেকেছি জিনিসগুলো দেখার জন্য । চুম্বক – কিংবা মোটর কেনার জন্য কত বায়না ধরেছি । কিন্তু আমার আব্বা-আম্মা সবসময়ই বিষয়গুলো ভয়ের চোখে দেখতেন – কখন এক্সিডেন্ট করি ! তাই যখনই কেউ জিজ্ঞেস করতে বড় হয়ে কী হতে চাই তখন বিনা দ্বিধায় বলতাম – ম্যাকানিক হব । ম্যাকানিক হলে এসব নিয়েই তো দিন কাটবে । আব্বা অবশ্য শুধরে দিতেন , বলতেন – আমার ছেলে হবে ইন্জিনিয়ার !
বিস্তারিত পড়ুন

আপনার কোন শত্রু আছে ? তাহলে অভিবাদন গ্রহন করুন ।

পরীক্ষা চলছে , আমার ব্লগের স্ট্যাটাস অনুসারে আমার এখন নিঃশ্চুপ থাকার কথা ছিল । সারাটা মাস জুড়ে থেকেছিও । কিন্তু স্বীকার করতেই হচ্ছে খুব কষ্ট হয়েছে – আইডিয়া নামের ঘুনপোকারা পরীক্ষার সময়ে একটু বেশিই কাটাকাটি করে । কাটার কওওট , কওওট শব্দ একসময় অসহনীয় হয়ে যায় । শেষমেষ হঠাৎ করে অল্প সময়ের জন্য হাওয়া হয় এবং আবার নতুন করে চক্রটা শুরু হয় – কট কট কট , কওট , কওওট , কওওট ।
বিস্তারিত পড়ুন

ভাষাকে সত্যিই ভালোবাসেন ? তবে ফান না করে ভাষার জন্য কাজ করুন …

গুগলের ট্রান্সলেটর সেবাটি এককথায় দারুন , সম্পূর্ন বিনামূল্যে এতোগুলো ভাষার জন্য ট্রান্সলেশন সেবা পাওয়া যাচ্ছে বিষয়টা ভাবতেই তো অবাক লাগে ! কিন্তু দুঃখের বিষয় বাংলা সারাবিশ্বে বহুল ব্যবহৃত ভাষাগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও কিছুদিন আগ পর্যন্ত গুগল ট্রান্সলেটরে বাংলা ভাষা ছিল না । এ নিয়ে বাংলা কম্যুনিটি হা-হুতাশও কম করেনি । অতি আনন্দের সংবাদ , কিছুদিন আগে গুগল ট্রান্সলেটর সার্ভিসে বাংলা ভাষা যোগ করেছে । বাংলা কম্যুনিটির জন্য এর চেয়ে আর আনন্দের সংবাদ কী হতে পারে ? তবে কিছু বিষয়ে আমি খুব ব্যথিত , সেটা নিয়েই আজকের লেখা ।
বিস্তারিত পড়ুন

ফেইসবুকঃ মাঝে মাঝে খুবই ভালো লাগে , মাঝে মাঝে ভাড়খানা মনে হয়

অন্য অনেকের মতই ফেসবুক আমারও অনেক প্রিয় একটা যায়গা । সব বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের এতো বেশী ফ্লেক্সিবল পথ আর আছে কিনা আমার জানা নেই । এখন এক মুহুর্তের মধ্যে সব বন্ধুদের খবর জানতে পারছি । আমার হাফ ডজন খানেক স্কুলের অনেক বন্ধুর সাথেই কোন যোগাযোগ ছিল না , সেই যোগাযোগের কাজটাও করে দিয়েছে ফেসবুক । আরো একটা কারণে আমি ফেসবুকের কাছে কৃতজ্ঞ – এইচএসসি এর পরে কোন একটা কারণে ( কারণটা আমি এখনও বের করার চেষ্টা করছি ) আমি সব নাম-টাম ভুলে বসে ছিলাম । তখন যদি ফেসবুক , টুইটার না থাকত তবে বড় ধরনের একটা সমস্যা হয়ে যেত – আমি নিশ্চিত ।
বিস্তারিত পড়ুন