এমন যদি হত ! ভাবনাগুলো পড়তে পারি, জাদুকরের মত !

ধরুন আপনি রাস্তা দিয়ে বা’দিক ঘেষে হেটে যাচ্ছেন, ওপাশ থেকে আরেকজন হেটে আসছে । ফুটপাথটা ছোট তাই আপনাকে যেকোন একটা পাশ নিয়ে হেটে যেতে হবে । অপরপাশের মানুষটা যখন কাছাকাছি চলে এলো তখন আপনি তাকে পথ দেবার জন্য ডানে সরে এলেন। ঠিক সেই সময়টাতেই লোকটা ভেবেছিল বায়ে সরে আপনাকে পথ দেবে ফলে আপনারা মুখোমুখি হয়ে গেলেন । এবার আপনি বায়ে সরলেন, লোকটাও তার হাতের ডানে সরে এলো … আবার মুখোমুখি ! ডানে বায়ে , ডানে বায়ে এরকম তিন-চারবার করে অবশেষে একজন ঠিক করলেন দাড়িয়ে থাকবেন অন্যজন তাকে পাস করে গেলেন – সাথে মুখে একটা হাসি । যখনই এরকম জিনিসগুলো ঘটে তখনই ডানে-বায়ে হওয়ার ব্যাপারটা দুই-তিনবার ঘটেই ! ধরুন এমন যদি হত আপনি কাউকে দেখে পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে জেনে গেলেন তিনি ডানে যাবেন – কোন অনুমান নয় তবে ব্যাপারটা কেমন হত ? আমি জানিনা কী হত তবে একটা হাসি বিনিময়ের মত ঘটনা হয়ত ঘটত না !

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

একুশের কিংবা বসন্তের কিংবা “কিছু একটার” হাহাকার !

হাহাকার শব্দটা যা বোঝায় সেটা বোধহয় একদম রক্তে মিশে থাকা একটা বিষয় । আমরা ভাবতে পছন্দ করি আমাদের চারপাশে শুধু হাহাকার আর হাহাকার ! পানির জন্য হাহাকার, বিদ্যুতের জন্য হাহাকার কিংবা শেয়ার বাজারের জন্য হাহাকার, জিপি ইন্টারনেটে স্পিডের জন্য হাহাকার, একটা ভাল নেতার জন্য হাহাকার ! আমেরিকানদের শান্তি শান্তি বলে হাহাকার, আফগানিস্থান, ইরাকে মানবতার জন্য হাহাকার ।  আমাদের আদি-পিতা-মাতা যখন স্বর্গে ছিলেন তখন নাকি কিছু একটা নেই, কিছু একটা নেই বলে হাহাকার করতেন । ধর্ম বলে মানুষ যখন স্বর্গে যাবে তখন আল্লাহকে না দেখা পর্যন্ত নাকি হাহাকার কাটবে না ।

বিস্তারিত পড়ুন

উপদংশ অরফে সর্দিনামা

সর্দি ! শব্দটা কোথা থেকে আসল জানার খুব ইচ্ছে হচ্ছে কিন্তু আপাতত ধারে কাছে কোন বাংলা ডিকশনারি নেই । তবে একটা জিনিস জেনে রাখুন, ঠান্ডা লেগেছে বললে কিন্তু হবে না ! ঠান্ডার সময়ে সর্দি ধরলে বলতে হবে সর্দি আর গরমের সময়ে সর্দি হলে তাকে বলতে হবে গরমি অথবা গর্মি , আর মাঝে মাঝে ফেসবুকে ভাব নেবার জন্য আমার মত উপদংশ শব্দটাও ব্যবহার করে দেখতে পারেন ।
বিস্তারিত পড়ুন

“সুন্দর দিন সবার জন্য অপেক্ষা করে” (!)

বাসায় গিয়েছিলাম বিনা নোটিশে, একদম খালি হাতে । তার উপর কয়দিন পরেই পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে , তাই একটু তাড়াহুড়ো করেই ঢাকাই ফিরতে চাইছিলাম । সকালে উঠেই মনে হল আজকে আমার কপালে খারাবি আছে , ভাবলাম খারাবি যখন আছেই তখন এক-আধটু এক্সপেরিমেন্ট করতে দোষ কোথায় ? খারাবিকে খেলায় আমন্ত্রন জানিয়ে বিছানা ছাড়লাম ।
বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের মাথা পরিষ্কার !

একটা গল্প শুনুন – অনেক পুরানো গল্প , সবাই জানেন । তবুও লেখার জন্য লিখছি –

অনেক আগের কথা । এক দেশে এক লোকের ছিল সোনার ডিম পাড়া হাস । হাসটা প্রতিদিন একটা করে সোনার ডিম পাড়ত আর লোকটা সেটা বিক্রি করে পায়ের উপর পা তুলে জীবন কাটাতো । কিন্তু লোকটা ছিল অত্যন্ত লোভী – এমন করে সোনার ডিমের জন্য অপেক্ষা করা তার ভাল লাগছিল না । তাই সে ভাবল সে হাসটাকে জবাই করে সব ডিম একবারে বের করে নেবে – আর সেগুলো বেচে অনেক অনেক বড়লোক হয়ে যাবে !
যেই ভাবা সেই কাজ – পরদিন সে হাসটাকে পাকড়াও করে জবাই করে ফেলল । কিন্তু পেট কাটার পর তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল – কারণ সেখানে কোন সোনার ডিম ছিল না ! এই শোকে লোকটা পাগল হয়ে ধুকে ধুকে করুণ মৃত্যুবরন করল ।

বিস্তারিত পড়ুন

পাই (π) আর একটা কীবোর্ড কিংবা কীবোর্ড লেআউটের গল্প

আচ্ছা ? বৃত্তের ক্ষেত্রফল বের করেছেন নিশ্চয়ই । তাইলে বলেন তো পাইয়ের মান কত ? হুম! সংক্ষেপে পাই এর মান হিসাবে আমরা ৩.১৪ ব্যবহার করি । কিন্তু পাই একটা অমূলদ সংখ্যা … দশমিকের পর এর সংখ্যার অভাব নাই । একটা নমুনা দেখাই …
π = ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৭৯৩২৩৮৪৬২৬৪৩৩৮৩২৫০২৮৮৪ … চলতেই থাকবে ।
বাদ দিন সেসব সেসব কথা । আরেকটা কথা বলুন তো ? যদি পাইয়ের মান ব্যবহার করতে টাকা দেয়া লাগত তবে আপনার কেমন লাগত বলুন তো ? থাক ! মুখ খারাপ করে লাভ নাই । তারচেয়ে একটা নির্বুদ্ধিতার গল্প শুনে আসি –
বিস্তারিত পড়ুন