গল্পঃ বৃষ্টি

সাতমসজিদ রোডে যাবো টিউশনি করাতে, সকাল সকালই বেরিয়েছিলাম । নরমালী যেভাবে যাই মানে হল থেকে বেরিয়ে পলাশী মোড়, সেখান থেকে ১৩ নাম্বার বাস ধরে একদম ছাত্রের বাসার সামনে – এভাবেই যাওয়ার জন্য পলাশী আসলাম । রোদ বেশ চাগিয়ে উঠেছিল তার মাঝেই আধা-ঘন্টা অপেক্ষা করে বাসের দেখা না পেয়ে শেষমেষ ঠিক করলাম আজিমপুর থেকেই যাবো । আজিমপুর মোড়ে যখন এসে দাড়িয়েছি তখন ঘড়িতে সাড়ে দশটা ।

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

মনের খোরাকঃ ছেলেবেলা ১

বাবা , তোমার কথাগুলো ভাবি ,
সেই ছোট বেলায় , যখন কোন কাজ দিলেই
চেচিয়ে বলতাম – “আমি পারি” ।
বলতে তুমি – “এভাবে বলে না বাবা”
“তাতে কাজ দেবে তোমার সাথে আড়ি”
আমি ঠোট উল্টিয়ে বলতাম – “বলবই !”

বিস্তারিত পড়ুন

একটি অতিমাত্রায় কাল্পনিক গল্প – বিষয় ঘুম

সময় রাত তিনটা ।

এই সময়ে আশেপাশে মানুষজন পাওয়া একটু কঠিন কাজই , তার উপর যদি পরদিন সকাল আটটায় উঠে ক্লাশ করার তাড়া থাকে তবে তো আর কথাই নেই । দুইটার সময়ই কাউকে সজাগ পাওয়া মোটামুটি ভাগ্যের ব্যাপার । রফিককে মানুষজন নিয়ে তেমন বেশী সংকিত মনে হল না । আগামীদিন দুইটা এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে – সেই চিন্তাই আপাতত মাথার ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে । সেই সাথে একটা ক্লাসটেস্টের চিন্তা তো আছেই ।

রফিকের থাকার রুমটা দেখার মত । নীচতলার এককোনে একটা রুম , হলের এই ব্লকের দিকে সাধারণত অন্য ব্লকের কেউ আসে না । এইদিকের মানুষজনও অন্য ব্লকে সাধারনত যাওয়া আসা করে না । রুমটা সবসময়ই এতো শান্ত থাকে যে মাঝে মাঝেই মনে হয় এটা গ্রামের কোন মাটির ঘর । যেকোন মানুষ প্রথম দেখাতেই মন্তব্য করে ফেলে – “ঘুমানোর জন্য দারুন যায়গা তো” ।

বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের মাথা পরিষ্কার !

একটা গল্প শুনুন – অনেক পুরানো গল্প , সবাই জানেন । তবুও লেখার জন্য লিখছি –

অনেক আগের কথা । এক দেশে এক লোকের ছিল সোনার ডিম পাড়া হাস । হাসটা প্রতিদিন একটা করে সোনার ডিম পাড়ত আর লোকটা সেটা বিক্রি করে পায়ের উপর পা তুলে জীবন কাটাতো । কিন্তু লোকটা ছিল অত্যন্ত লোভী – এমন করে সোনার ডিমের জন্য অপেক্ষা করা তার ভাল লাগছিল না । তাই সে ভাবল সে হাসটাকে জবাই করে সব ডিম একবারে বের করে নেবে – আর সেগুলো বেচে অনেক অনেক বড়লোক হয়ে যাবে !
যেই ভাবা সেই কাজ – পরদিন সে হাসটাকে পাকড়াও করে জবাই করে ফেলল । কিন্তু পেট কাটার পর তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল – কারণ সেখানে কোন সোনার ডিম ছিল না ! এই শোকে লোকটা পাগল হয়ে ধুকে ধুকে করুণ মৃত্যুবরন করল ।

বিস্তারিত পড়ুন

এতোদিন যেথায় ছিলাম ( একটি পুনঃসূচনামূলক অপ্রয়োজনীয় লেখা , না পড়তে উৎসাহিত করা হচ্ছে )

যারা আমার ব্লগে মোটামুটি আসেন তারা হয়ত লক্ষ্য করেছেন গত প্রায় ১ মাস ধরে আমার কোন লেখা নেই , যারা ফেসবুকে আমার ফ্রেন্ড আছেন তাদের সাথে কোন যোগাযোগ নেই , টুইটারে মাঝে মাঝে পাওয়া গেলেও তা খুবই কম । এই ব্লগে আমার শেষ লেখাটা ছিল সম্রাটের মৃত্যুর পর – যখন বৃহঃ-শুক্র বন্ধে বাড়ি এসেছিলাম … একটু আরাম করে ঘুমাবো বলে !

গত কিছুদিন আগে (২০ শে জুন থেকে) বুয়েটের অনির্দিষ্টকালীন ছুটির কথা সবাই জানেন মনে হয় । কেনো এবং কেমন করে এমন একটা ঘটনা ঘটল তার হাড়ির খবর অনেকেই জানেন না , আর জানানোটাও এখানে আমার উদ্দেশ্য না । থাকনা একটা বিষয় মানুষ যেভাবে মনে করছে সেভাবে – তাতে কী আসে যায় ! বন্ধের কারণে এখনও আবার বাড়িতে , আবার ব্লগিং । তবে শুধু একটা সূচনা করা ছাড়া এই লেখাটার আর কোন উদ্দেশ্য নেই – অনেক দিন ব্লগিং থেকে দূরে থাকায় খেই হারিয়ে ফেলেছি যে ।
বিস্তারিত পড়ুন

গ্রাম-বাংলার একটি গল্প আর একটি আক্ষেপের কথা

একটা গল্প বলি শুনুন। কোন একসময় গ্রামে একটা পরিবার ছিলো যাদের সবাই কানে কম শুনে , মা-বাবা , ভাই-বোন এই চার জন । তো ভাইটাকে বিয়ে দেয়া হল , মজার ব্যাপার হল তার বউটাও কানে কম শুনত ।
বিয়ের সময় শ্বশুর বাড়ি থেকে জামাইকে দুইটা গরু দেয়া হল । একদিন জামাই গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছে । হঠাত পুলিশ তাকে পেয়ে জিজ্ঞেস করলঃ
পুলিশঃ রাম গোপালের বাড়িটা কোনদিকে । ( সে শুনল ; গরু দুইটা কই থাইক্যা চুরি কইরা আনছিস ! )
জামাইঃ না , না স্যার ! সত্যি কইতাছি , গরু দুইটা আমি চুরি করছি না ।
পুলিশঃ (রেগে গিয়ে) আরে! তোরে চুরির কথা কেডায় কইল , আমি তো রাম গোপালরে খুজতাছি !
জামাইঃ (আরো ভয় পেয়ে) সত্যি কইতাছি স্যার , গরু দুইটা আমারে শ্বশুর বাড়ি থাইক্যা দিছে ।
বিস্তারিত পড়ুন